ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ফ্রি ট্রেড জোন, কার্গো হাব ও নতুন বন্দর পরিকল্পনায় বদলে যাবে চট্টগ্রাম : আমির খসরু

  • প্রতিনিধির নাম :এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ | নিউজটি দেখেছেনঃ 12312 জন
ফ্রি ট্রেড জোন, কার্গো হাব ও নতুন বন্দর পরিকল্পনায় বদলে যাবে চট্টগ্রাম : আমির খসরু ছবির ক্যাপশন:
ad728
কর্ণফুলী নদীর ওপারে ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি ট্রেড জোন, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের হাবে পরিণত করার পরিকল্পনা, চাইনিজ ইকোনমিক জোন স্থাপনের পরিকল্পনা আছে বাজেটে।

অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবারের বাজেটে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বন্দর, বিমানবন্দর, ফ্রি জোন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও রেল অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম একটি ‘লজিস্টিক্যাল হাব’-এ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

০৪ জুলাই(শনিবার) সকালে চট্টগ্রামে পৌঁছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামকে নিয়ে বাজেটে কী পরিকল্পনা রয়েছে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে বন্দর ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সম্ভাবনা অনেক বেশি। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদীর ওপারে ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি ট্রেড জোন প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সাথে চট্টগ্রামে একাধিক বন্দরকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে। চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক্যাল হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যেই বাজেটে এসব উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটেছে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের হাবে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি চাইনিজ ইকোনমিক জোন স্থাপন এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে লাকসাম কর্ডলাইনের মাধ্যমে যাতায়াতের সময় দুই ঘণ্টা কমিয়ে আনার বিষয়ও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক করিডোর গড়ে উঠবে, বন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং মাতারবাড়িকে ঘিরেও বৃহৎ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগলেও দ্রুত কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি কঠিন ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ নানা কারণে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রথমে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে, এরপর উন্নয়ন ও সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ বছর থেকে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধির ধারা শুরু হবে এবং বাংলাদেশ এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বক্কর ও আইনজীবী আবদুস সাত্তারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্বদেশ সময়

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আগামী ৩মে থেকে সকল জেলা উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি একযোগে চলবে

আগামী ৩মে থেকে সকল জেলা উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি একযোগে চলবে