Logo
প্রিন্টের তারিখ: 01 June 2026 | প্রকাশের তারিখ: Jun 1, 2026

News Headlines : মনপুরায় হাজীর হাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসায় শ্রেণীকক্ষ দখল করে বসবাস শিক্ষকের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পাঠদান বিঘ্ন

মনপুরায় হাজীর হাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসায় শ্রেণীকক্ষ দখল করে বসবাস শিক্ষকের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পাঠদান বিঘ্ন
মনপুরা হাজীরহাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার শ্রেণীকক্ষ দখল করে বসবাস করছেন মাদ্রাসার প্রধানসহ তিন  শিক্ষক এমন অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। প্রতিষ্ঠানটির নিয়ম অনুযায়ী শ্রেণীকক্ষ শুধুমাত্র পাঠদানের জন্য ব্যবহৃত হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে ওই চার শিক্ষক দুইটি  কক্ষকে ব্যক্তিগত বসবাসের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে জানা গেছে।

হাজীরহাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায় , প্রতিষ্ঠানের প্রধান  মাওলানা মোসলেউদ্দিন প্রতিষ্ঠানের আইসিটি ডিজিটাল ল্যাব টি কে তার ব্যাক্তিগত অফিস এবং বাসস্থান হিসেবে চকি দিয়ে থাকার ব্যাবস্থা করেছে। এ ছাড়াও মাওলানা সালাউদ্দিন প্রভাষক ,মাওলানা কেফায়েত উল্যাহ প্রভাষক,খোরশেদ আলী প্রভাষক এই তিন শিক্ষক নিজেদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে শ্রেণীকক্ষের ভেতরে শ্রেণি কক্ষের বেঞ্চ দিয়ে বানানো চকি, আলমারি ও ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে নিয়মিত বসবাস করছেন। এর ফলে প্রতিদিনের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বসার পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় তারা নিয়মিত ভোগান্তির শিকার। বিশেষ করে পরীক্ষার সময় সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

অভিভাবকরা অভিযোগ করে জানান ,মাদ্রাসা  শিক্ষার জায়গা, কিন্তু এখানে চার  শিক্ষক নিজেই নিয়ম ভেঙে শ্রেণীকক্ষ দখল করে আছেন। এতে আমাদের সন্তানদের ক্ষতি হচ্ছে।

হাজীরহাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার  কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, আমাদের কে ঝুঁকি পূর্ণ একটি টিনের ঘরে ক্লাস করায়। এই শীতের মৌসুমে টিনের ভাঙ্গা বেড়া দিয়ে হুহু করে বাতাস আসে যেই কারণে আমরা ঠিকমতো ক্লাস করতে পারিনা। কিন্তু হুজুরেরা আমাদের পাকা ক্লাসরুমের ভেতর থাকছে। তাই আমরা ঠিকভাবে পড়তে পারি না।

এবিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান , শ্রেণীকক্ষ দখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা শিক্ষা নীতিমালার পরিপন্থী। এমন কর্মকাণ্ড শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করে।

তাদের দাবি শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে দখল করা শ্রেণীকক্ষ গুলো  পুনরুদ্ধার করা হোক এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান  মাওলানা মোসলেউদ্দিন জানান , আমাদের প্রতিষ্ঠানের তিনজন শিক্ষক মনপুরার বাহিরের তাদের থাকার কোন যায়গা নেই। যেই কারণে  তিনজন শিক্ষক কে সাময়িক সময়ের জন্য প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কক্ষে থাকার ব্যাবস্থা করা  হয়েছে। 

এবিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি মো: এডভোকেট সালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স এর সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি। 

এই বিষয়ে মনপুরা উপজেলা   মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্তের)  রেজাউল করিম বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন। 


এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো:আবু মুছা জানান , আমাদের কাছে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি যদি লিখিত অভিযোগ আসে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা  গ্রহণ করা হবে।
All Rights Reserved By Shadin Ekattor News
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF